গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, শিক্ষা মন্ত্রনালয়, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, ঢাকা ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ তারিখে একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আসন্ন ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিখনকালীন মূল্যায়ন এবং বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফল প্রস্তুত পদ্ধতি প্রকাশ করেছে ।
আরো পড়ুন:
- মেধাবী শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার জন্য ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত অনুদান।
- নতুন সরকারের কাছে দাবী করার আগে একটিবার পড়ুন।
ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিখনকালীন মূল্যায়ন এবং বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফল প্রস্তুতর নির্দেশনায় যা যা বলা হয়েছে-
১. শিখনকালীন মূল্যায়ন এবং বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২২ এর আলোকে প্রণীত পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে সম্পন্ন হবে।
২. মূল্যায়ন কার্যক্রম দুটি ভাগে অনুষ্ঠিত হবে। যথা-
ক) শিখনকালীন মূল্যায়ন, খ) বার্ষিক পরীক্ষা
৩. প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিজস্ব তত্ত্বাবধানে শিক্ষকগণের দ্বারা শিখনকালীন মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করবেন এবং শিক্ষা মন্ত্রনালয় তথা জাতীয় শিক্ষাক্রম প্রদত্ত নমুনা প্রশ্নপত্র অনুসরণ করে বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করবেন। (উল্লেখ্য কোনক্রমেই নমুনা প্রশ্নপত্র হুবহু ব্যবহার করা যাবে না)। প্রণীত প্রশ্নের সাহায্যে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ করবেন।
৪. প্রতিটি বিষয়ের মূল্যায়ন কার্যক্রমের মোট নম্বর হবে ১০০। এর মধ্যে শিখনকালীন মূল্যায়নের গুরুত্ব হবে ৩০% এবং পরীক্ষার গুরুত্ব হবে ৭০%। বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুতির ক্ষেত্রে অবশ্যই বিষয়ভিত্তিক Grade Point নির্ধারণ পদ্ধতি যাহা ৮ নং ক্রমিকে বর্ণিত তাহা অনুসরণ করতে হবে।
৫. শিখনকালীন মূল্যায়ন নির্দেশনাঃ শিখনকালীন মূল্যায়নের আইটেম হবে প্রতিটি বিষয়ের পাঠ্যপুস্তকে প্রদত্ত/ নির্দেশিত একক কাজ, জোড়ায় কাজ, পোষ্টার প্রেজেন্টেশনসহ যাবতীয় কার্যক্রম । এ সকল কাজ অবশ্যই বার্ষিক পরীক্ষা শুরুর পূর্বেই সম্পন্ন করে তার রেকর্ড সংরক্ষণ করতে হবে।
৬. বার্ষিক পরীক্ষার মূল্যায়নের নির্দেশনাঃ
-বার্ষিক পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।
- প্রতিটি বিষয়ে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে।
-লিখিত পরীক্ষার মোট সময় হবে ৩ (তিন) ঘন্টা।
- বিষয়ভিত্তিক নির্দেশনায় প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, প্রশ্নের কাঠামো, মানবন্টন ইত্যাদি বিস্তারিত ভাবে বর্ণনা ও নমুনা প্রশ্নপত্র দেওয়া আছে।
৭. লিখিত পরীক্ষার খাতা অবশ্যই বিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত হবে।
৮. বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক Grade Point নির্ধারণ পদ্ধতিঃ
-বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুতির ক্ষেত্রে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির প্রতিটি বিষয়ের মোট নম্বর হবে ১০০। এর মধ্যে শিখনকালীন মূল্যায়নের গুরুত্ব হবে ৩০% এবং পরীক্ষার গুরুত্ব হবে ৭০%।
-প্রতিটি বিষয়ের শিখনকালীন/ধারাবাহিক মূল্যায়নের জন্য বরাদ্দকৃত মোট নম্বর হবে ৩০।
- প্রতিটি বিষয়ের লিখিত পরীক্ষার মোট নম্বর হবে ১০০।
- একজন শিক্ষার্থীর একটি বিষয়ের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুতির ক্ষেত্রে ঐ বিষয়ের ধারাবাহিক/শিখনকালীন মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বরের সাথে লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ৭০% যোগ করে ঐ বিষয়ের বিষয়ভিত্তিক গ্রেড নির্ণয় করতে হবে।
উদাহরণঃ ধরা যাক, বাংলা বিষয়ে শিখনকালীন মূল্যায়নে মোট ৩০ নম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থী “ক” এর প্রাপ্ত নম্বর ২৫ এবং লিখিত পরীক্ষায় মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে তার প্রাপ্ত নম্বর ৯০। বাংলা বিষয়ে বার্ষিক ফলাফল/গ্রেড নির্ধারণের ক্ষেত্রে তার শিখনকালীন মূল্যায়নে প্রাপ্ত ২৫ নম্বরের সাথে লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত ৯০ নম্বরের ৭০% অর্থাৎ (৯০x৭০%)=৬৩ যোগ করে বাংলা বিষয়ে তার প্রাপ্ত নম্বর হবে ২৫+৬৩=৮৮ এবং গ্রেড পয়েন্ট ও লেটার গ্রেড হবে ৫.০০ ও “A+” ।
Search Tags:
ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়ণ পদ্ধতি
ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার মূল্যায়ণ পদ্ধতি
ষষ্ঠ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়ণ পদ্ধতি
নবম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়ণ পদ্ধতি
ষষ্ঠ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার মূল্যায়ণ পদ্ধতি
নবম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার মূল্যায়ণ পদ্ধতি
Annual
examination and evaluation procedure.


0 Comments