যারা উন্নত বিশ্বে বসবাস করে তারা তো জানেই না লোডশেডিং বিষয়টি সম্পর্কে। অনেকে লোড শেডিং এর কথা শুনে অবাক বনে যায়, ভাবে এটা আবার কী! কিন্তু আমরা যারা বাংলাদেশে বসবাস করি - আমাদের কাছে লোড শেডিং বিষয়টি ডাল ভাতের মতো।
লোডশেডিংয়ের সময়টা নষ্ট না করে আপনি ভালো সময় কাটাতে পারেন। এ সময় প্রকৃতির আলো-অন্ধকারে লোডশেডিংয়ের সময় উপভোগ করা যায়।
আসুন বিষয়গুলো জেনে নিই, যেন লোডশেডিংয়ের সময় কাজে লাগাতে পারেন౼
১. ধরুন বিদ্যুৎ নেই, চোখ বন্ধ করে মন দিয়ে প্রকৃতির শব্দ শুনুন। প্রকৃতিতে ছড়িয়ে আছে হাজারো শব্দ। সেগুলো শুনলে মন শান্ত হবে, জানা হবে প্রকৃতিকেও আরও কাছ থেকে।
২. পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গানের আসর বসাতে পারেন। কিংবা রাতে ছাদে বা বাসার সামনের খোলা জায়গায় বসে আড্ডা দিতে পারেন। এতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আন্তরিকতা বাড়বে।
৩. আঁকতে বা লিখতে ভালো লাগে অথবা অন্য কোনো শিল্পচর্চায় নিজেকে নিয়জিত রাখতে চান। কাজের ফাঁকে এই শহরে নিজের জন্য সময় বের করা অসম্ভব কঠিন। তবে এতকিছুর মধ্যেও আপনি যদি নিজের এই সৃজনশীলতার চর্চা অব্যাহত রাখতে চান, লোডশেডিংয়ে এ কাজটিও করতে পারেন। নিজের পছন্দের কাজ করার মাধ্যমে মানসিকভাবে ইতিবাচক ও আনন্দপূর্ণ হয়।
৪. হাঁটতে বের হতে পারেন। জনমানুষের সান্নিধ্যে এসে মনটাও বেশ ফুরফুরে হয়ে উঠবে। কে জানে, হয়তো দিনের আলোয় যে রাস্তাকে অনেক চেনা লাগে, সেটাই আবার নতুন করে চিনতে পারবেন। নতুন করে ভালো লাগতে শুরু করবে অনেক কিছু।
৫. দিনের বেলায় প্রকৃতির আলোয় ক্যারম বা লুডুর মতো খেলাগুলো যে জমে উঠবে পারিবারিক আয়োজনে, তা বলাই বাহুল্য। মাথা খানিকটা বেশি খাটাতে চাইলে দাবাও বেছে নিতে পারেন।
৬. পরিবারের সবাই মিলে গল্প করতে পারেন। এমনসব কাজ খুঁজে বের করুন, যা আন্তরিকতা বাড়াবে।

0 Comments